এবারের বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা বিসিবির

আর মাত্র ১ মাস কয়েকদিন বাদেই ইংল্যান্ডে বসছে বিশ্ব ক্রিকেটের সব বড় আসর বিশ্বকাপ ক্রিকেট জজ্ঞের। ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপ সামনে রেখে দল গুছানো শুরু করেছে সকল দেশই।

বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। বিশ্বকাপে টাইগারদের স্কোয়াড কেমন হবে সেটি মোটামুটি ঠিক করেছে নির্বাচকরা। তবে আনুষ্ঠানিক প্রকাশের আগে কারা থাকছেন তা জানিয়ে দিলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

আজ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত প্রীতি ম্যাচের পর সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে পাপন এ ব্যাপারে বলেন, চমকের বিষয় এখানে নেই। আমরা ১৫ জনের একটা দল বানাব।

আপনি যদি নামগুলো দেখেন তাইলেই বুঝবেন। তামিম আর দুই ওপেনার। ধরে নিচ্ছি সৌম্য, লিটন খেলে তাহলে তো শেষ (ওপেনার কোটা)। সাকিব, মুশফিক, রিয়াদকে তো বাদ দিতে পারেন না। তাহলে ছয়জন শেষ। এবার তিনটা ফাস্ট বোলার- মোস্তাফিজ, মাশরাফী, রুবেল আছেই। এরপর অন্তত একটা বেশি তো নিতেই হবে। কারণ পেসাররা বেশি চোটে পড়ে। তাহলে তাসকিন আর সাইফউদ্দিন চলেই এল। এগারো হয়ে গেল।

স্পিনার হিসেবে মিরাজকে তো নিতে হবে। বারোজন হল। মিডল অর্ডারে ব্যাকআপ নিতে হবে, সেখানে মিঠুনের নাম আছে, সাব্বির আছে। এর বাইরে নতুন কারও সম্ভাবনা খুবই কম। বলছি না যে হবে না। কারণ আজকেও আমরা কথা বলছিলাম কিছু করা যায় কিনা, কিছু করা যায় কিনা।
ঘরোয়াতে যতই ভালো করুক না কেনো, একটা নতুন ছেলের, ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক খেলার মধ্যে বিরাট পার্থক্য। উপমহাদেশে যদি হতো তাও এক কথা।

কাজেই যে যতই ভালো করুক, হুট করে এসে একদম বিশ্বকাপ খেলে ফেলবে এই সম্ভাবনা খুবই কম

উল্লেখ্য, এবারে আইসিসির নতুন নিয়ম অনুযায়ী কোন প্রাথমিক স্কোয়াড ছাড়াই বিশ্বকাপের জন্য মুল ১৫ জনের স্কোয়াড ঘোষনা করবে বিসিবি। তবে কবে এটি ঘোষণা হবে সেটি বলা না গেলেও খুব দ্রুতই হবে সেটি বলাই যায়। কেননা বিশ্বকাপের বাকিই মাত্র আর এক মাস।

আরও পড়ুন ।।

আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের জস বাটলারকে মানকাডিংয়ের ফাঁদে ফেলার পর থেকেই সমালোচনায় কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের রবিচন্দ্রন অশ্বিনের এই অদ্ভুত আউট। গতকাল ডিপিএলে সেই সুযোগ পেয়েও সৌজন্যতা দেখিয়েছেন আরাফাত সানি।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়াম লিগে মানকাডিং আইন ব্যবহার করে দুয়ো শুনছিলেন অশ্বিন। কিছুদিন পরেই এই সুযোগ পেয়েও সৌজন্যতা দেখানোই প্রশংসা কুড়িয়েছেন মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের ক্রুনাল পান্ডিয়া। অশ্বিনেরই কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের ব্যাটসম্যান মায়াঙ্ক আগারওয়ালকে সর্তক করে দেন তিনি।

গতকাল সোমবার (১লা এপ্রিল) ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন লিগেও মানকাডিংয়ের সুযোগ মিলে ছিল। এই সুযোগ পেয়েছিলেন প্রাইম দোলেশ্বরের আরাফাত সানি। অখেলোয়াড়সুলভ আচরণ কিনা সেই বিতর্কে থাকা এই আইনের সুবিধা নেননি দোলেশ্বরের বাঁহাতি স্পিনার।

শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের ব্যাটিং ইনিংসের ১৭.৪ ওভার তখন। আরাফাত সানি বল ডেলিভারি করার আগেই দলটির মারকুটে ব্যাটসম্যান জিয়াউর রহমান ক্রিজ থেকে বেশ কিছুটা এগিয়ে যান। সানি চাইলেই জিয়াকে আউট করে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা না করে শুধুই সর্তক করে দিয়েছেন।

আরেকটু হলেই আরাফাত সানিকে বড় মাশুল দিতে হতে পারতো জিয়াকে আউটের সুযোগ পেয়েও ছেড়ে দেয়ায়। কারণ ম্যাচটা যে মাত্র ১ রানে জিতেছে দোলেশ্বর। বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে আগে ব্যাটিং করে ২৬ ওভারে ২৩৯ দোলেশ্বর। ঠিক ১ রান আগে ২৩৮ রানেই থেমে যায় শেখ জামালের ইনিংস।